অনুমতি ছাড়া বাচ্চাদের ছবি তোলায় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেন সাকিব আল হাসান

সাংবাদিকের মোবাইল নিয়ে নেওয়া ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা...

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডি গ্রুপের বাঁকি ২ ম্যাচ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র থেকে রওনা দেওয়ার আগে ঘটেছে অনাকাঙ্ক্ষিত একটা ঘটনা। জানা গেছে ফ্যামিলির ভিডিও নিচ্ছেন এমন সন্দেহে এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রঙচঙ মাখিয়ে যে যার মতো করে পোস্ট দিয়েছেন, সমালোচনা করেছেন, কেউ চোদ্দগুষ্টি উদ্ধারও করেছেন। কিন্তু সেখানে কেন ওই পরিস্থিতি তৈরি হলো সেটা নিয়ে কেউই জানায়নি, কেউ জানার চেষ্টাও করেনি। সেটা না জেনেই যে যার মতো করে বিষয়টা তুলে ধরেছেন।

অবশেষে কোন একজন ঘটনার গোড়াসহ তুলে ধরেছেন, তিনিও একজন সাংবাদিক। পুরো ঘটনাটা উনার সামনেই ঘটেছে, উনার দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী ঘটনার শুরুটা ঠিক এরকম - দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য বের হচ্ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। 

সাকিব আল হাসানের ফ্যামিলি যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন, সে কারণেই হয়তো সাকিবকে বিদায় দেওয়ার জন্য স্ত্রী-সন্তানেরাও উপস্থিত ছিলেন। মাঠের পারফর্মেন্সটা ভালো হচ্ছে না সাকিবের, হয়তো সে কারণেই কিছুটা খিটখিটে মেজাজেই ছিলেন তিনি। সেই সাথে এটাও জানতেন ফ্যামিলিসহ উনাকে ক্যামেরা বন্দী করার চেষ্টা করবেন সাংবাদিকরা।

সে কারণেই সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন যাতে তিনি ও তার ফ্যামিলির কোম ফুটেজ নেওয়া না হয়, সাংবাদিকরাও সে কারণে ফুটেজ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কিন্তু সাকিবের মনে হয় কেউ একজন গোপনে ফুটেজ নিচ্ছেন, সেই সন্দেহ থেকেই ওই সাংবাদিককে টার্গেট করেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন ফুটেজ নিয়েছেন কি না, সেই সাংবাদিকের উত্তর ছিল না।

এরপর সাকিব রিপ্লাই করেন মোবাইলটা ওভাবেই ধরে রাখেন, এরপর তিনি দ্রুত সেই সাংবাদিকের কাছে চলে যান এবং ফোনটা নিয়ে নেন। সেই ফোন টিমের সিকিউরিটির দায়িত্বে থাকা আইসিসির প্রতিনিধির কাছে দিয়ে ওই সাংবাদিককে দেখিয়ে ভেতরে চলে যান সাকিব, ১ মিনিট পর ফিরে এসে ফোনটি নিয়ে সেই সাংবাদিককে দিয়ে দেন।

সেই সাথে অনুরোধ করেন, যদি ফুটেজ নিয়েও থাকেন তাহলে যেন সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার না করা হয়। এরপর সাকিব ওখান থেকে চলে যান, এভাবেই প্রত্যক্ষদর্শী সেই সাংবাদিক পুরো ঘটনাটা বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ মুল ঘটনা ও ঘটনার পেছনের ব্যাপার এটাই, পুরো ঘটনা জানার পরে দুই রকম মতামতই আসতে পারে।




Comments

Popular posts from this blog

"কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ডাটা সেন্টারের"

জাকেরের ছক্কার রেকর্ড ও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রানের টি–টোয়েন্টি